• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় তোফায়েল আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এবং নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে তার নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তার নিজ বাড়ির সামনে তৃতীয় ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজাহার আলী, মা ফাতেমা খানম এবং স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

তোফায়েল আহমেদের জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জানাজায় স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। এর আগে দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে তার মরদেহ ভোলায় আনা হয়। ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত প্রথম জানাজার আগে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

সোমবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তোফায়েল আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পক্ষাঘাতসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাজনীতির পাশাপাশি তোফায়েল আহমেদ ছিলেন একজন জনবান্ধব নেতা। স্বাধীনতা আন্দোলন এবং ভোলার উন্নয়নে তার অবদান মানুষ দীর্ঘদিন স্মরণ রাখবে।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ছাত্রজীবনে তিনি ডাকসুর ভিপি ছিলেন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ ভোলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()