• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

উদ্বোধনের আগেই ভেঙে গেল প্রায় ৩ কোটি টাকার সেতুর সংযোগ সড়ক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩০ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

Habiganj District–এর Madhabpur Upazila উপজেলার সুরমা চা-বাগান এলাকায় প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর সংযোগ সড়ক উদ্বোধনের আগেই পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, Local Government Engineering Department (এলজিইডি) মাধবপুরের তত্ত্বাবধানে ‘মাধবপুর আরঅ্যান্ডএইচ তেলিয়াপাড়া-শাহপুর সড়কের ২৫০ মিটার চেইনেজে ৪৫ মিটার আরসিসি পিএসসি গার্ডার ব্রিজ’ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ১২ জুলাই। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৯৯ লাখ ৩২ হাজার ৮৫১ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ।

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/সাংবাদিক-মোসলেহ-উদ্দিন-ব-2/

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের কাগজপত্রে তেলিয়াপাড়া-শাহপুর সড়কে সেতু নির্মাণের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ওই সড়ক থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে সুরমা চা-বাগানের আমতলী-২০ নম্বর সড়কের তেলমাছড়া এলাকায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে পড়লে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণকাজের সময় অপরিকল্পিতভাবে টিলা কাটার কারণেই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। সুরমা চা-বাগানের বাসিন্দা দিপু যাদব বলেন, “টিলা কাটার পর থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছে। আগে ছড়াটি এত বড় ছিল না।”

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/উদ্বোধনের-আগেই-ভেঙে-গেল-প/

আরেক বাসিন্দা রবি কুর্মি বলেন, “এই সড়কে আরও দুটি পাহাড়ি ছড়া রয়েছে। সেখানে সেতু না থাকলে যানবাহন চলাচল সম্ভব নয়। একটি সেতুর পেছনে এত টাকা ব্যয় না করে ফয়জাবাদ থেকে ২০ নম্বর পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ করলে এলাকাবাসীর বেশি উপকার হতো।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউন নবী বলেন, এখনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজ বুঝে নেওয়া হয়নি। তাই সংযোগ সড়ক মেরামত করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকেই কাজ বুঝিয়ে দিতে হবে। তবে সেতু নির্মাণে অনিয়ম ও স্থান পরিবর্তনের অভিযোগ নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()