• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

দানশীলতায় অনন্য, ইবাদতে নিমগ্ন- রাসুল (সা.)-এর রমজান জীবন

স্টাফ রিপোর্টার: / ২৬ Time View
Update : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
রাসুল (সা.)-এর রমজান জীবন

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, রমজানে তার জীবনে প্রধানত দুটি বিষয় খুব যত্নের সঙ্গে পালিত হতো। হাদিসে আছে, ‘রমজানের প্রতি রাতে জিবরাইল (আ.) রাসুল (সা.)-এর কাছে আসতেন এবং তাকে কোরআন পড়ে শোনাতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮০৩)।

সাহরি ও ইফতার : রাসুলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত আগ্রহ ও ব্যাকুলতার সঙ্গে সাহরি ও ইফতার গ্রহণ করতেন। তিনি সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ইফতার করতেন। (বোখারি : ১৯৫৭)। নবীজি (সা.) সাহরি করতেন দেরিতে, সুবহে সাদিকের কিছু আগে। (বোখারি : ১১৩৪)।

সাহরি-ইফতারে কী খেতেন নবীজি (সা.) : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতার করতেন ভেজা বা শুকনো খেজুর অথবা পানি দিয়ে। ভেজা খেজুর দিয়ে সাহরি করা পছন্দ করতেন তিনি। (আবু দাউদ : ২৩৪৫)। তিনি সবসময় জাঁকজমকহীন স্বাভাবিক সাহরি ও ইফতার গ্রহণ করতেন।

মিসওয়াক করা : রাসুল (সা.) রোজা রেখেও মিসওয়াক করতেন। আমের বিন রাবিয়া (রা.) বলেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে অসংখ্যবার রোজাবস্থায় মিসওয়াক করতে দেখেছি।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৭২৫)। মিসওয়াকের প্রতি নবীজি (সা.) অশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। হাদিসে আছে, ‘মেসওয়াক মুখের জন্য পবিত্রকারী এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৭)।

তাহাজ্জুদ নামাজ : রমজানে নবীজি (সা.)-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল ছিল তাহাজ্জুদ নামাজ। প্রথম রাতে তারাবি শেষ করে শেষ রাতে তাহাজ্জুদের জন্য দাঁড়িয়ে যেতেন। তাহাজ্জুদ নামাজের সৌন্দর্য বর্ণনা করতে গিয়ে আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) চার রাকাত নামাজ পড়তেন।

কোরআন তেলাওয়াত : কোরআন নাজিলের মাস রমজান। রমজানে লওহে মাহফুজ থেকে মহান আল্লাহ কোরআন বায়তুল ইজ্জতে অবতরণ করেন। এ মাসেই কোরআন নাজিলের সূচনা হয়। শুধু কোরআন নয়, রমজানে অবতীর্ণ হয় অন্যান্য ঐশী গ্রন্থও।

দানশীলতা : রমজান মাসে নবীজি (সা.) দান-সদকার ওপর বেশ গুরুত্ব দিতেন। সাহাবিদেরও দান-সদকার প্রতি তাগিদ দিতেন। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ দানশীল। রমজানে তিনি আরও অধিক দানশীল হতেন, যখন জিবরাইল (আ.) তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন।

শেষ দশকে ইতেকাফ : নবীজি (সা.)-এর জীবনে রমজান সাধনার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, রমজানের শেষ দশকে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে তিনি ইতেকাফ করতেন। (বোখারি : ২০২৫)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()