আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/কমলো-গ্যাস-সিলিন্ডারের-ম/
লার্ভা নিয়ন্ত্রণে চরম ব্যর্থতা ফলে,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর DGHS ও IEDCR-এর প্রাক-বর্ষা জরিপে ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের মে মাসের জরিপে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৬৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৭টিকে “চরম ঝুঁকিপূর্ণ” ঘোষণা করা হয়। ২,২৫০টি বাসা পরীক্ষা করে ২৮১টিতে এডিস লার্ভা পাওয়া গেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, লার্ভার ৫৮.৮% পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে। অথচ সিটি কর্পোরেশনের অভিযান হয় লোক দেখানো—ফগার মেশিন চলে যেখানে মশা নেই। Breteau Index ২০-এর ওপরে গেলেই “নিয়ন্ত্রণহীন পরিস্থিতি” ধরা হয়, অথচ ১৩টি ওয়ার্ডেই BI
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/ভয়াবহ-অগ্নিকাণ্ডে-কাঁদছে/
দিনদিন মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়ছে, প্রস্তুতি নেই সরকারের।২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৪১২ জন মারা গেছে, আক্রান্ত ১,০২,৫৬২ জন। ২০২৪ সালে মৃত্যু ছিল ৫৭৫ জন, ২০২৩ সালে ১,৭০৫ জন—বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত মৃত্যু ৫১ জন, আক্রান্ত ১৩,১৮। সবচেয়ে ভয়ের কথা, DGHS বলছে ১৪ জন মৃতের মধ্যে ৬ জনই হাসপাতালে ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মারা গেছে—চিকিৎসা দেরিতে নেওয়ার কারণে। তার মানে হাসপাতাল প্রস্তুতি ও সচেতনতা—দুটোতেই ঘাটতি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগস্ট ৫-এর পর থেকে কাউন্সিলরদের অনুপস্থিতি ও স্থানীয় সরকারের দুর্বল সমন্বয়ের কারণে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে। প্রতি বছর বাজেট বরাদ্দ হয়, কীটনাশক কেনা হয়, কিন্তু কোথায় কত লার্ভা ধ্বংস হলো তার স্বচ্ছ ডাটা নেই। ৫৯% বহুতল ভবনে লার্ভা পাওয়া গেছে, যা গত বছরের চেয়ে ১৬% বেশি—তারপরও “কার্যকর অভিযান” দেখা যায় না।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/সচিবালয়ের-রেড-টেলিফোনের/
ডেঙ্গু প্রাকৃতিক দুর্যোগ না, ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা। সারা বছর বৈজ্ঞানিক জরিপ, ডাটা ভিত্তিক স্প্রে, নির্মাণাধীন ভবনে কঠোর জরিমানা, আর কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করা ছাড়া উপায় নেই। সরকারের সদিচ্ছা না থাকলে “মশা মারো” স্লোগান শুধু পোস্টারেই থাকবে, মৃত্যুর মিছিল থামবে না।