• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সিটি কর্পোরেশনের ব্যর্থতা ও শংকিত নগরবাসীর উদ্বেগ উৎকণ্ঠা

বিশেষ প্রতিবেদক সালাহউদ্দিন মিঠু: / ৯৪ Time View
Update : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদক সালাহউদ্দিন মিঠু:

প্রতি বছর বর্ষা আসলেই ডেঙ্গু নিয়ে তৎপরতা, তারপর নীরবতা—এটাই এখন নিয়ম। কিন্তু তথ্য বলছে, নীরবতার মাশুল দিচ্ছে মানুষ। সরকারের ব্যর্থতা কেবল স্লোগানে, কাজে না।

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/কমলো-গ্যাস-সিলিন্ডারের-ম/

লার্ভা নিয়ন্ত্রণে চরম ব্যর্থতা ফলে,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর DGHS ও IEDCR-এর প্রাক-বর্ষা জরিপে ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের মে মাসের জরিপে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৬৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৭টিকে “চরম ঝুঁকিপূর্ণ” ঘোষণা করা হয়। ২,২৫০টি বাসা পরীক্ষা করে ২৮১টিতে এডিস লার্ভা পাওয়া গেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, লার্ভার ৫৮.৮% পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে। অথচ সিটি কর্পোরেশনের অভিযান হয় লোক দেখানো—ফগার মেশিন চলে যেখানে মশা নেই। Breteau Index ২০-এর ওপরে গেলেই “নিয়ন্ত্রণহীন পরিস্থিতি” ধরা হয়, অথচ ১৩টি ওয়ার্ডেই BI

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/ভয়াবহ-অগ্নিকাণ্ডে-কাঁদছে/

দিনদিন মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়ছে, প্রস্তুতি নেই সরকারের।২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৪১২ জন মারা গেছে, আক্রান্ত ১,০২,৫৬২ জন। ২০২৪ সালে মৃত্যু ছিল ৫৭৫ জন, ২০২৩ সালে ১,৭০৫ জন—বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত মৃত্যু ৫১ জন, আক্রান্ত ১৩,১৮। সবচেয়ে ভয়ের কথা, DGHS বলছে ১৪ জন মৃতের মধ্যে ৬ জনই হাসপাতালে ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মারা গেছে—চিকিৎসা দেরিতে নেওয়ার কারণে। তার মানে হাসপাতাল প্রস্তুতি ও সচেতনতা—দুটোতেই ঘাটতি।

সমন্বয়হীনতা ও জবাবদিহিতার অভাব

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগস্ট ৫-এর পর থেকে কাউন্সিলরদের অনুপস্থিতি ও স্থানীয় সরকারের দুর্বল সমন্বয়ের কারণে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে। প্রতি বছর বাজেট বরাদ্দ হয়, কীটনাশক কেনা হয়, কিন্তু কোথায় কত লার্ভা ধ্বংস হলো তার স্বচ্ছ ডাটা নেই। ৫৯% বহুতল ভবনে লার্ভা পাওয়া গেছে, যা গত বছরের চেয়ে ১৬% বেশি—তারপরও “কার্যকর অভিযান” দেখা যায় না।

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/সচিবালয়ের-রেড-টেলিফোনের/

ডেঙ্গু প্রাকৃতিক দুর্যোগ না, ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা। সারা বছর বৈজ্ঞানিক জরিপ, ডাটা ভিত্তিক স্প্রে, নির্মাণাধীন ভবনে কঠোর জরিমানা, আর কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করা ছাড়া উপায় নেই। সরকারের সদিচ্ছা না থাকলে “মশা মারো” স্লোগান শুধু পোস্টারেই থাকবে, মৃত্যুর মিছিল থামবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()