ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-২(বোরহানউদ্দিন- দৌলতখান) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন লাভ করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সফল বিএনপির সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম। ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য ঢাকা থেকে আগত বিশিষ্ট গনমাধ্যম কর্মী ও ওয়ান গ্রুপের কর্মকর্তা এমপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের ভাতিজা মোঃ মোক্তার হোসেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের নিয়ে প্রত্যেকটি ওয়ার্ড- ইউনিয়ন ও পাড়া মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। তিনি প্রতিটি ভোটারের বাসা বাড়িতে রাত-দিন নির্বাচনী ক্যাম্পিং করছেন । এ সময় এক অভূতপূর্ব গণজোয়ারের সৃষ্টি হয় ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে।
অনুসন্ধানী সংবাদ সংগ্রহে জানা যায় সাবেক এই সংসদ সদস্য এমপি থাকাকালীন বোরহানউদ্দিন এবং দৌলতখান থানার অন্তর্গত অসংখ্য জনকল্যাণমূলক কাজ করেন। অত্র দুই থানার প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে মসজিদ -মাদ্রাসা ,স্কুল কলেজ, রাস্তা-ঘাট এবং কালভার্ট সহ অসংখ্য কাঁচা রাস্তা পাকা করেন। যার সুফল মানুষ আজও ভোগ করছেন।পতিত স্বৈরাচার খুনি শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনামলে তিনি ছিলেন নির্যাতিত নিপীড়িত।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/বরিশাল-৩-গণতান্ত্রিক-যুক/
অসংখ্য ভুয়া মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করা হয়। পতিত স্বৈরাচার খুনি শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর যিনি আজীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন সেই “মাদার অব ডেমোক্রেসি” গণতন্ত্রের মা বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান বর্তমান বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনায়ক তারেক রহমান আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমের হাতে ধানের শীষের প্রতীক তুলে দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান। এবং ওয়াদা করে বলেন,আপনাদের সকল সমস্যা ও দাবি-দাওয়া পুরনে জীবন-মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিবো ইনশাআল্লাহ