ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, নিরাপত্তা ও চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে, ম্যাচের দিন সকালে এসে খেলা শেষ করেই দলকে আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হবে। ইরানের গ্রুপপর্বের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটলে। তবে পুরো টুর্নামেন্ট চলাকালে দেশটিতে অবস্থানের সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরান।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/রামিসা-হত্যায়-শোক-প্রকাশ/
এদিকে শুধু ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধই নয়, ভিসা ইস্যুতেও দুই দেশের মধ্যে তৈরি হয়েছে অসন্তোষ। ইরানের অভিযোগ, দীর্ঘ টালবাহানার পর খেলোয়াড়দের ভিসা দেওয়া হলেও দলের অনেক সাপোর্ট স্টাফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং ব্যাকরুম কর্মীরা এখনো ভিসা পাননি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কেবল প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদেরই ভিসা দেওয়া হবে। তবে এ সিদ্ধান্তকে বৈষম্যমূলক হিসেবে দেখছে ইরান।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/গ্যালারির-কিংবদন্তি-জলি/
বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার বিশ্বকাপের মঞ্চেও প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতি খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও দলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে খেলাধুলাকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার আহ্বান জানালেও বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্ব নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।