• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

কোম্পানীগঞ্জে রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতাদের চাঁদাবাজি ও নির্যাতনে ধ্বংস হলো এক তরুণ উদ্যোক্তার জীবন

Reporter Name / ১৬৯ Time View
Update : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫

কোম্পানীগঞ্জ,সিলেট(২৮ জুন২০২৫ইং)

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কোম্পানীগঞ্জের তরুণ ব্যবসায়ী মোঃ আবুল কাশেম তার সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং পারিবারিক সম্পত্তি রাজনৈতিক চাঁদাবাজি, পুলিশি হয়রানি এবং সহিংস হামলার কারণে কানাডায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অভিযোগের তীর স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের একাধিক নেতার দিকে, যাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার জমি দখল, অর্থ আদায়, এবং শারীরিক হামলার অভিযোগ উঠেছে।

আবুল কাশেম জানান, তার পরিবারের পাথর ব্যবসা “জালাল উদ্দিন এন্টারপ্রাইজ” এবং মুদি দোকান “জালাল সুপারস্টোর” ছিল কোম্পানীগঞ্জে সুপ্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ২০২৩ সালের শুরুর থেকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাবুদ্দিন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক আফতাব আলী তার ব্যবসা থেকে চাঁদা দাবি করে এবং রাজনৈতিক প্রচারণায় জোরপূর্বক অংশ নিতে চাপ প্রয়োগ করে।

চাঁদা না দেয়ায়, কাশেমের জমি দখল করা হয় এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একাধিকবার লুটপাটের শিকার হয়। কাশেম জানান, থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ কোন সহযোগিতা না করে উল্টো হুমকি দেয় এবং অভিযোগ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।

কাশেম আওয়ামী লীগ নেতা দের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালে তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়, যার ফলে তার হাঁটু ভেঙে যায় এবং দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকতে হয়।

২০২৪ সালে “জালাল উদ্দিন এন্টারপ্রাইজ” সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং তার সুপারস্টোরে হামলা চালানো হয়।

পরে, পুলিশ কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি করে এবং তা না পেয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে ২০২৫ সালে। এমনকি তার বাবাকেও মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে কাশেম কানাডায় পালিয়ে যান এবং বর্তমানে সেখানেই রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন। তিনি জানান, বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে দুইটি মিথ্যা মামলা চলমান এবং পরিবার এখনো চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের যোগসাজশে একজন তরুণ উদ্যোক্তার জীবন ও সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে — অভিযোগ কাশেমের পরিবারের।

________________________________________

📌 সম্পাদকের মন্তব্য:

বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের চাঁদাবাজি ও দমননীতির শিকার সাধারণ জনগণের অভিযোগ নতুন নয়। তবে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি দীর্ঘস্থায়ী ভয়াবহতার সৃষ্টি করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এমন ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()