• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

আশুগঞ্জ–আখাউড়া চার লেন প্রকল্পে আট বছরে অগ্রগতি মাত্র ৬০%

স্টাফ রিপোর্টার: / ৩৬ Time View
Update : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত ৫০ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে। আট বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি—অগ্রগতি মাত্র ৬০ শতাংশ। নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে গত জুনে, এখন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) জানিয়েছে, প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৭৯১ কোটি টাকা, যার মধ্যে ভারতীয় ঋণ ২ হাজার ৯৮২ কোটি। তবে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের দায়িত্বে থাকা প্রকল্পটি নানা জটিলতা, প্রশাসনিক বিলম্ব ও কর্মী সংকটে আটকে যায়। সরকার পরিবর্তনের পর গত বছরের আগস্টে ভারতীয় প্রকৌশলীরা দেশ ছেড়ে গেলে পুরো কাজ থমকে পড়ে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আশুগঞ্জ–আখাউড়া সড়কজুড়ে এখন ভয়াবহ দুরবস্থা। শুষ্ক মৌসুমে ধুলায় আচ্ছন্ন, বর্ষায় হাঁটু পানি জমে থাকে। বিশ্বরোড গোলচত্বর থেকে আশুগঞ্জ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার যেতে সময় লাগছে ৪–৫ ঘণ্টা পর্যন্ত। প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আওয়াল মোল্লা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের জুনেও শতভাগ কাজ শেষ হবে না, এজন্য ২০২৭ পর্যন্ত সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যয় বাড়বে না বলে দাবি তাঁর।

প্রকল্পের ধীরগতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান সম্প্রতি আশুগঞ্জ–বিশ্বরোড অংশে পরিদর্শনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ১২ জন কর্মকর্তাকে প্রকল্প এলাকায় সার্বক্ষণিক অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশে বলা হয়েছে, “ঢাকায় অফিস নয়, মাঠেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে—অন্যথায় বরখাস্ত।” এদিকে পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব এখনো তাদের হাতে আসেনি। আইএমইডি বলছে, মাঠ পরিদর্শনের পরই মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সব মিলিয়ে, আর্থ-সামাজিক গুরুত্বের এ মহাসড়ক প্রকল্প এখন ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয়দের জন্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()