• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

সাব রেজিস্ট্রার ইমরুল খোরশেদ পদোন্নতির জন্যে দিশেহারা: একই দপ্তরে দুই বছরেরও বেশি সময় যাবত বহাল তবিয়তে

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৭০ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

রক্ষকই যেন ভক্ষক! অনেকটা ‘বেড়ায় ক্ষেত খাওয়ার’ মতো অবস্থা!

যেখানে সর্বসাধারণের হয়ে সরকারিভাবে সকলকে নিবন্ধন সুরক্ষা সুবিধা দেওয়ার কথা, সেখানে তিনি নিজেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষদের ‘ঘুমে রেখে’ তীলকে তাল বানিয়ে বছরের পর বছর একই দপ্তরে বহাল তবিয়তে: তা-ও আবার রয়ে সয়ে নয়; দুই বছরেরও বেশি সময়জুড়ে একযোগে। কখনো কখনো সরকারি সব আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, সবার অগোচরে নীতিবহির্ভূতভাবে এমন তুঘলকি কাণ্ড ঘটিয়েছেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রার ইমরুল খোরশেদ। সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবনের ইটেও টাকা চায়। ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না। যাঁরা আসেন তাঁরা মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েই আসেন। এখানে ফেরেশতা আসলেও টাকা দিতে হবে।’ ক্ষোভের সঙ্গে এসব কথা বলছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা রেহানা বেগম।

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/শনিবারের-আপডেট-কোন-মুদ্র/

সরেজমিনে দেখা যায়, জমির ক্রেতা-বিক্রেতা, দলিল লেখকদের নির্দিষ্ট দালালের আনাগোনা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দালালেরা নির্দিষ্ট কমিশনের ভিত্তিতে সহজেই জমি নিবন্ধনের কাজ করিয়ে দেন। কাগজপত্রে সমস্যা থাকলেও ঠিকমতো যাচাই করা হয় না আর দালাল ছাড়া গেলে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। উক্ত দপ্তরে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে জাল দলিল তৈরির চক্রও এখানে সক্রিয়। ভূমি নিবন্ধনের দায়িত্ব সাব-রেজিস্ট্রারের। সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়-গুলো দেখভাল করে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা নিবন্ধন অধিদপ্তর। অথচ সরকারের উর্ধ্বতন মহলগুলো সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কিছু অনিয়ম হয় আমলে নেয় না।

ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ সাব রেজিস্ট্রার ইমরুল খোরশেদের অফিসে চলছে নিয়মিত দলিল বাণিজ্য। দলিল লেখক থেকে শুরু করে সাব রেজিস্ট্রার পর্যন্ত এক অভিন্ন দুর্নীতির চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমির মূল্য পরিশোধের পর নিরুপায় ক্রেতাকে বৈধ-অবৈধ দু’খাতে টাকা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করতে হয়। সরকারি ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে দলিল সম্পাদনকালে দিতে হয় ‘অফিস খরচ’। কথিত ওই অফিস খরচই হলো সাবরেজিস্ট্রারের নির্ধারণ করা ঘুষ। সরকারি ফি পরিশোধের পর ওই অফিস খরচ দিয়েই এখন সাধারণ মানুষজনকে দলিলপত্র রেজিস্ট্রি করতে হচ্ছে। কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক ভেন্ডার সমিতির নেতাদের সখ্যতায় ঘুষের আখড়া বসেছে এই অফিসটিতে।

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/১৬-রাউন্ড-শেষে-৫৩৮-ভোটে-পি/

গত ১০ই অক্টোবর, ২০২৩ ইং তারিখে ইমরুল খোরশেদ কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যোগদানের পরপরই ঘুষ বাণিজ্যের নতুন পন্থা অবলম্বন করে দুর্নীতির রামরাজত্ব তৈরি করে। জমি সংক্রান্ত এমন কোনো কাজ ছিলো না যে কাজের জন্য সে ঘুষ নেয় নি- এমনটাই অভিযোগ করেছে সেবাগ্রহীতারা।  ঢাকা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রেশনের সরকারি ফি নির্ধারিত থাকলেও বিপুরাজ্যের রাজা শাহীনের সাজানো গুছানো পথ আর পূর্বের দলিলপ্রতি ঘুষের হার তালিকা অনুযায়ী ইমরুলের সহায়তায় এখনও একই প্রসেসে সক্রিয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই প্রতিনিয়ত সেবাগ্রাহকদের ভোগান্তি দিয়েই চলেছে। মূলত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকায় রাজউকের আওতাভুক্ত ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প ও হাসনাবাদ হাউজিং প্রকল্পের নাজিম চেয়ারম্যানের মেয়ে কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত জমি প্লট কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত থেকে সরকারি বরাদ্দকৃত প্লটগুলো বিপুরাজ্যের রাজা শাহীনের ইশারা ছাড়া সাব রেজিস্ট্রার ইমরুলের কলম নড়তো না।

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/দক্ষিণ-এশিয়ায়-শিক্ষকের-দ/

সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি ফির বাইরেও দলিল বাবদ মৌজার রাউন্ড ফিগারে প্রতি লাখে ১ শতাংশ অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। পরে এই টাকার বেশির ভাগ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। বাকি অংশ যায় দলিল লেখক সমিতিতে। কয়েকজন দলিল লেখকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অফিশিয়াল ঝামেলা মেটানোর নামে যে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়, তাকেই সেরেস্তা খরচ বলা হয়। অফিসের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির নেতাদের যোগসাজশ থাকার কারণেই অবৈধ সেরেস্তা খরচের টাকা আদায় বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ বদনাম হচ্ছে সাধারণ দলিল লেখকদের। পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সকলের তালিকা উল্লেখ করা হবে।
ধারাবাহিক চলবে…


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()