রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। ফলে মামলার তদন্ত এখন শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/ডিএনসিসির-ওয়ার্ডে-ফ্রি-ম/
শনিবার, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—সিআইডি জানায়, ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুনের কাছে সব গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট হস্তান্তর করা হয়েছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রয়োজনীয় সব ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/ঈদযাত্রায়-ট্রেনের-ছাদে-ভ/
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। এখন অভিযোগপত্র বা চার্জশিট প্রস্তুতের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী রোববার আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে। গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ। পরে বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয় তার বিচ্ছিন্ন মাথা। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/সরকারি-সফরে-ময়মনসিংহের-ত/
ঘটনার পর পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে গ্রেফতার হন সোহেল রানা। তদন্তের একপর্যায়ে আদালতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দেন তিনি। এখন প্রশ্ন—ফরেনসিক রিপোর্ট ও স্বীকারোক্তির পর কত দ্রুত বিচার সম্পন্ন হয় এবং পরিবার ন্যায়বিচার পায় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে আছে দেশবাসী।