মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নাগরিক সমাজের করণীয় শীর্ষক”আলোচনা সভা প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাস্তবায়ন ও প্রশিক্ষণ হিট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল্লাহ আল আমিনের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মোঃ মোশাররফ হোসাইন রাজুর সঞ্চালনায় সকাল ১০ টায় প্রথম অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয় ঢাকার পুরানা পল্টনে প্রীতম ইন্ হোটেল অডিটোরিয়াম।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা,সাবেক সংসদ সদস্য এবং বর্তমান সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা ও দায়রা জজ শেখ জালাল উদ্দিন, ভিন্নমাত্রা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য প্রফেসর মোঃ আকবর আলী সিরাজি, দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসাইন, দৈনিক নবজীবন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ও দৈনিক এশিয়া বানী পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক এম নজরুল ইসলাম,প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ রবিউল হোসেন রবি।

আরো বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাস্তবায়ন ও প্রশিক্ষণ হিট ফাউন্ডেশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ বদিউজ্জামান মজুমদার, মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ মামুনুর রশিদ, কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক আসাদুজ্জামান মজুমদার,মোঃ জাহিদুর রহমান দিপু,কানিজ ফাতেমা আঁখি, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুল হাই ভূঁইয়া, মোঃ জাহিদ হোসেন শোভন, কুমিল্লা জেলা সভাপতি ডাক্তার মোঃ জুয়েল মাহমুদ, বাগেরহাট জেলা সভাপতি মোঃ সবুজ, খুলনা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মরিয়ম আক্তার পায়েল, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোঃ মেহেদী হাসান, আরো বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ সোলায়মান হাওলাদার।
সারা দেশ থেকে আগত মানবাধিকার কর্মীদের উদ্দেশ্যে উদ্বোধনী বক্তব্য ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ নুরুল্লাহ আল আমিন।
দ্বিতীয় পর্ব বিকাল ৩ ঘটিকায় মুহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহর সুললিত কন্ঠে পবিত্র পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়।
প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার এএম মাহবুবু উদ্দিন খোকন বলেন, স্বৈরাচারী খুনি শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সরকার দীর্ঘ ১৫টি বছর মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করে ভিন্ন মত ও পথের সংগঠন ও লোকদের বন্দি করে এ দেশটাকে একটি কারাগারে পরিণত করে রেখেছিল। আজকে আমরা মুক্ত আকাশের নিচে স্বাধীনভাবে মনের আবেগ বক্তব্য তুলে ধরতে পারছি এবং একটি স্বস্থির নিঃশ্বাস নিতে পারছি। আমি ধন্যবাদ জানাই এবং কৃতজ্ঞতা চিত্তে স্মরণ করছি যাদের বুকের তাজা রক্ত এবং শহীদের বিনিময়ে আজকে একটি সুন্দর মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। আজকে ফিলিস্তিন গাজাসহ সারা বিশ্বে মানবাধিকার লঙ্ঘিত পদদলিত।সারা বিশ্বের বিবেকবোধ মানবতাবাদী লোকদের জাগ্রত করতে হবে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নাগরিক সমাজের জেগে উঠতে হবে একটি সুন্দর বৈষম্যহীন সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল্লাহ আল-আমিন বলেন, আমি সংগঠনের সকল মানবাধিকার কর্মী যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় এসে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং আমাদের মাননীয় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ যারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে আমাদেরকে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য দিয়েছেন তাদেরকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।