দেশে সব ধরনের টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আগামী ছয় মাস পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো: সাখাওয়াত হোসাইন। বুধবার দুপুরে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির হাসপাতালের লেকচার হলে চীনের কুনমিং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ‘চায়না বাংলাদেশ জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক’ চালুর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/সরকারি-নির্দেশ-না-আসা-পর্/
গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যক্ষ্মা, বিসিজিসহ মোট নয় ধরনের টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। শুধু স্টকেই নয়, সরবরাহ লাইনেও পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে, ফলে আগামী ছয় মাস পর্যন্ত কোনো সংকট হবে না। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের পর থেকে টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি থাকায় দেশে হাম রোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হাম প্রতিরোধী টিকার ঘাটতি থাকলেও দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে গ্যাভি ও ইউনিসেফের সহায়তায় টিকা সংগ্রহ করে ইতোমধ্যে সারা দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/প্রাথমিক-শিক্ষার্থীদের-প/
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘদিনের লোকবল সংকট দূর করতে সরকার শিগগিরই এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার মোতায়েন করা হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে চীন গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করে যাচ্ছে এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ফল হিসেবেই যৌথ সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।