বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দাম বেড়েছে। এখন থেকে এক কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দাম হবে ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। এই দামের হিসাবে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম হবে ১ হাজার ২৫৩ টাকা। গত মাসে এটি ছিল ১ হাজার ২১৫ টাকা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এই দাম নির্ধারণ করেছে। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আজ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাম ঘোষণা করেন। তিনি জানান, আজ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন দর কার্যকর হবে।
বিইআরসি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ আছে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে।এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/ট্রাম্পের-বক্তব্যে-বাজার/
বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক/ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১০১ টাকা ২৪ পয়সা; অর্থাৎ এ মাসে দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা ১৭ পয়সা। সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৫৫ টাকা ৫৮ পয়সা।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/ত্রয়োদশ-জাতীয়-সংসদের-প্র/
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এই দাম নির্ধারণের জন্য বিইআরসি প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকোর সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।