তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মূল তত্ত্বই প্রথম প্রবর্তন করেছিলেন জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযম। তার সেই দূরদর্শী প্রস্তাব আজ বিজয়ী হলো। তত্ত্বাবধায়কবিহীন বিগত নির্বাচনগুলো ইতিহাসে কলঙ্কিত নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আজকের এ রায়ের মাধ্যমে গণতন্ত্র তার ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসবে। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ হয়, সে জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে জামায়াত। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি বিগত দিনের মতো পাতানো নির্বাচনের পাঁয়তারা করা হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াতে ইসলামী তা প্রতিহত করবে।
জামায়াত নেতা এ রায়কে নিরপেক্ষ নির্বাচনের নতুন যুগের সূচনা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় ছিল। এ রায় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে।








