• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

রামপুরা গুলিকাণ্ডে মানবতাবিরোধী মামলার রায় ৪ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪১ Time View
Update : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
রামপুরা গুলিকাণ্ডে মানবতাবিরোধী মামলার রায় ৪ মার্চ

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় একটি ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণ আমির হোসেনকে গুলি এবং একই এলাকায় আরও দুজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী ৪ মার্চ ঘোষণা করা হবে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন বলে জানান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম।
এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে চারজন পলাতক। তারা হলেন- ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, পুলিশের খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান ও সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। অন্য আসামি পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন আমির হোসেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাসার কাছে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার মধ্যে তিনি পড়ে যান। তখন পুলিশ গুলি শুরু করলে তিনি দৌড়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনের চারতলায় গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করতে গিয়ে পুলিশও চারতলায় উঠে যায়। সেখানে আমিরকে পেয়ে পুলিশ সদস্যরা তার দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে বারবার নিচে লাফ দিতে বলেন। একজন পুলিশ সদস্য ভয় দেখাতে কয়েকটি গুলিও ছোড়েন। একপর্যায়ে ভয়ে আমির হোসেন লাফ দিয়ে নির্মাণাধীন ভবনটির রড ধরে ঝুলে থাকেন। তখন তৃতীয় তলা থেকে একজন পুলিশ সদস্য তাকে লক্ষ্য করে ছয়টি গুলি করেন। গুলিগুলো তার দুই পায়ে লাগে।
পরে পুলিশ চলে গেলে আমির ঝাঁপ দিয়ে কোনোভাবে তৃতীয় তলায় পড়েন। তখন তার দুই পা দিয়ে রক্ত ঝরছিল। প্রায় তিন ঘণ্টা পর একজন শিক্ষার্থী ও দুজন চিকিৎসক তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেন। সেখান থেকে পরে তাকে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। নির্মম এ ঘটনায় তিনি ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। একই দিনে রামপুরায় ঘটনাস্থলের সামনে আরও দুজনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগও এই মামলায় আনা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()