• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

মহাকাশে নীল–গোলাপি ‘ফুল’, নাসার ক্যামেরায় আইরিস নীহারিকা

প্রযুক্তি ডেস্ক: / ৭০ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
মহাকাশে নীল–গোলাপি ‘ফুল’, নাসার ক্যামেরায় আইরিস নীহারিকা

মহাকাশে ভাসছে নীল ও গোলাপি রঙের এক আলোকমেঘ। দেখতে যেন আকাশের বুকে ফুটে থাকা ফুল। এই মেঘের নাম ক্যাল্ডওয়েল–৪। একে আইরিস নীহারিকা বা এনজিসি ৭০২৩ নামেও ডাকা হয়। সম্প্রতি এর দৃষ্টিনন্দন ছবি প্রকাশ করেছে নাসা। এই নীহারিকাটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১,৪০০ আলোকবর্ষ দূরে। এর উজ্জ্বল গ্যাস প্রায় ৬ আলোকবর্ষ পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে। এটি সেফিয়াস নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত। উত্তর আকাশের মেরু তারকা পোলারিসের কাছাকাছি হওয়ায় দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে এটি প্রায় দেখা যায় না। উত্তর গোলার্ধে শরতের শুরুতে দূরবীন দিয়ে সবচেয়ে ভালো দেখা যায়। শহরের আলো থেকে দূরে পরিষ্কার আকাশ হলে দেখার সুযোগ বেশি।

বেশিরভাগ নীহারিকা নিজে আলো তৈরি করে। কিন্তু আইরিস নীহারিকা আলাদা। এটি নিজে আলো তৈরি করে না। কেন্দ্রের একটি তারার আলো প্রতিফলিত হয়ে এটি জ্বলে ওঠে। তাই একে প্রতিফলন নীহারিকা বলা হয়। এতে খুব সূক্ষ্ম কঠিন কণিকা আছে, যা পৃথিবীর ধুলোর চেয়ে ১০ থেকে ১০০ গুণ ছোট। এসব কণিকা আলো ছড়িয়ে দেয়। ফলে নীহারিকাটি আকাশের মতো নীল দেখায়। তবে শুধু নীল নয়, এর ভেতরে গাঢ় লাল রঙের লম্বা আঁশের মতো অংশও আছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এটি কোনো অজানা রাসায়নিক যৌগ, সম্ভবত হাইড্রোকার্বন (কার্বনভিত্তিক যৌগ)। এসব গবেষণা করে তারা বুঝতে চান, তারার জন্মে কোন কোন উপাদান কাজ করে।

আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/বিটিআরসি-ঘেরাওয়ের-ঘোষণা/

১৭৯৪ সালের ১৮ অক্টোবর জার্মান-ব্রিটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী উইলিয়াম হার্শেল এটি আবিষ্কার করেন। তিনিই ইউরেনাস গ্রহও আবিষ্কার করেছিলেন। নীহারিকার গোলাপি আভাযুক্ত একটি অংশের কাছ থেকে তোলা ছবি তৈরি করা হয়েছে চারটি আলাদা আলোকচিত্র মিলিয়ে। ছবিগুলো তোলা হয় হাবল স্পেস টেলিস্কোপ–এর অ্যাডভান্সড ক্যামেরা ফর সার্ভে ব্যবহার করে। এছাড়া হাবলের নিকমস ক্যামেরা দিয়ে এর রাসায়নিক উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()