দীর্ঘ সময় স্থবির থাকার পর আবারও সচল হওয়ার পথে বাংলাদেশ–মায়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য। প্রায় এক বছর পর টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে মায়ানমারের উদ্দেশে আলু রপ্তানির মাধ্যমে এই কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে ৬৫ মেট্রিক টন আলুবোঝাই একটি কাঠের নৌযান মায়ানমারের উদ্দেশে যাত্রা করে। এটিই সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে মায়ানমারে প্রথম নিত্যপণ্য রপ্তানি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/শনিবারের-আপডেট-কোন-মুদ্র/
এই বন্দরকেন্দ্রিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এ চালানের মাধ্যমে বাণিজ্য পুনরায় সচল হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। এর আগে গত ১ এপ্রিল মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে টেকনাফ বন্দরে সীমিত পরিসরে চম্পাফুল ও গর্জন কাঠ আমদানি করা হয়েছিল, যা আংশিকভাবে বাণিজ্য পুনরায় চালুর প্রথম পদক্ষেপ ছিল।
টেকনাফ স্থলবন্দর-এর শুল্ক বিভাগ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় কাস্টমস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে আলুর চালানটি পাঠানো হয়। বন্দর পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে পণ্যবাহী নৌযানটি সফলভাবে মায়ানমারের পথে যাত্রা করেছে।তবে আমদানি-রপ্তানিকারকরা বলছেন, বাণিজ্য শুরু হলেও পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম সচল রাখতে ব্যাংকিং জটিলতা দ্রুত সমাধান করা জরুরি।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/সরবরাহ-বাড়ায়-সবজির-দাম-কম/
উল্লেখ্য, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত এবং সীমান্ত পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘদিন নাফ নদীপথে বাণিজ্য বন্ধ ছিল। এতে গত বছরের এপ্রিল থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে, যার ফলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েন এবং রাজস্ব আয়েও বড় প্রভাব পড়ে।