মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর চলমান সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে। এতে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি বেড়েছে গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল – ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরান কৌশলগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে জিসিসি দেশগুলোতেও।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/ইরান-যুদ্ধে-কৌশলগতভাবে-এ/
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্য করে ১২টি ব্যালিস্টিক মিসাইল, ২টি ক্রুজ মিসাইল এবং ১৯টি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ইরানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে চান এবং দ্রুত এই সংঘাতের অবসান চান। তাদের মতে, নিয়মিত সংলাপই এই সংকটের একমাত্র কার্যকর সমাধান।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/আমাদের-শক্তি-জানে-না-যুক/
সোমবার সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর উদ্বেগ আরও বেড়েছে। জিসিসি দেশগুলোর নেতারা তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রেখেছেন এবং নতুন করে হামলার আশঙ্কা করছেন। উল্লেখ্য, জিসিসি ছয়টি আরব দেশ নিয়ে গঠিত—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান এবং বাহরাইন। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি বাজার, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।