মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান-সংকট নিয়ে ভাষণের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। ট্রাম্পের রণংদেহী মনোভাব এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের বেঞ্চমার্ক ‘ব্রেন্ট ক্রুড’-এর দাম ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মার্কিন তেলের বাজার ‘ডব্লিউটিআই’-তেও ৩ শতাংশ দরবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে।
ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও কয়েক সপ্তাহ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি তেহরান ট্রাম্পের দাবি মেনে না নিলে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে বোমা হামলার নতুন হুমকি দেন। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদাসীনতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/খাইবার-পাখতুনখাওয়ায়-পৃথক/
ইরান বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহের পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ কার্যত বন্ধ করে রেখেছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীর গুরুত্বকে অনেকটা খাটো করে দেখিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই জলপথের কোনো ‘প্রয়োজন’ নেই এবং প্রণালীটি পুনরায় উন্মুক্ত করার দায়িত্ব মিত্র দেশগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমনকি মার্কিন শেয়ার বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে; ডাউ জোন্স ও এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার সূচকের বড় পতন লক্ষ্য করা গেছে।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/মোদিকে-নিয়ে-ধর্ষণের-অভিয/
রক্ষণশীল কট্টরপন্থী বিশ্লেষক অ্যান কোল্টার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ তেলের দাম বাড়ার একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করে উপহাসমূলক মন্তব্যে লিখেছেন, ‘ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ ভাষণ ফলাফল দিতে শুরু করেছে! সাবাস, মিস্টার প্রেসিডেন্ট!’