ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য সমালোচনা ও অভিযোগের মুখে পড়েছেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ করা হয়নি। সম্প্রতি, একাধিক ব্যক্তি একের পর এক মুখ খুলছেন।প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তিনি উত্তর প্রদেশের একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা। তার কাজের মেয়াদ ছিল ২০১৬ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/হুথি-হুমকিতে-সৌদি-তেলের-ব/
সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ২০১৩ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। এর আগে, তিনি জনতা পার্টির সভাপতি ছিলেন। সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর পরে, মোদির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার। তিনি মোদির একসময়ের ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক এবং হিন্দুত্ববাদী লেখিকা। দুজনেরই একযোগে দাবি, যৌনতার বিনিময়ে একাধিক নারীকে মন্ত্রীপদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি, এক পডকাস্টে মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের প্রকাশিত ৩০ লক্ষাধিক নথি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/খাইবার-পাখতুনখাওয়ায়-পৃথক/
তিনি দাবি করেছেন, যৌনতার বিনিময়ে একাধিক নারীকে সংসদ সদস্য বানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি। এমনকি মন্ত্রী হওয়ার জন্যও প্রধানমন্ত্রীকে ‘অন্যরকম’ পরিষেবা দিয়েছেন অনেকে। স্বামীর দাবি, এপস্টেইন তো ছোট ব্যাপার। সবচেয়ে বড় মাথাকে এবার ধরা উচিত। তারপর, প্রধানমন্ত্রীর একসময়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাবেক সাংবাদিক তথা লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ারও স্বামীর সেই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন।