• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প ব্যবসা শুরু হবে ১৪ দিনে, ট্রেড লাইসেন্স পুরোপুরি অনলাইনে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা লোডশেডিংয়ে উত্তাল দেশ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমবিএস–ম্যাক্রোঁর ফোনালাপ বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে চান পদবঞ্চিত নেতারা ইউরোপজুড়ে দাবদাহে ১,৩০০-এর বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু কেরানীগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ:মামলা প্রত্যাহারের চাপ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বর্ষসেরা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “নজরুল স্মৃতি পদক-২০২৬” সম্মানা পুরস্কার পেলো বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মাদ্রাসা সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিলের বিল সংসদে

থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সংঘর্ষ টানা চতুর্থ দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: / ২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সংঘর্ষ টানা চতুর্থ দিন

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ টানা চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। উভয় দেশই এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনকলের অপেক্ষায় আছে। ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, তিনি আগের মতোই আবার এই দুই দেশের লড়াই বন্ধ করতে পারবেন। বুধবার থাই–কম্বোডিয়া সীমান্তের ৮১৭ কিলোমিটার জুড়ে ১২টিরও বেশি স্থানে তীব্র লড়াই হয়েছে। জুলাই মাসে পাঁচ দিনের যুদ্ধে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, তার পর এটিই সবচেয়ে বড় সংঘর্ষ। জুলাইয়ে ট্রাম্প দুই দেশের নেতাকে ফোন করে যুদ্ধ থামিয়েছিলেন এবং হুমকি দিয়েছিলেন, লড়াই না থামলে বাণিজ্য আলোচনাও বন্ধ করে দেবেন। এবারও তিনি বলেছেন, বৃহস্পতিবার দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমি তাদের যুদ্ধ থামাতে পারব। আগামীকালই তাদের সঙ্গে কথা বলার কথা আছে।’ তবে এবার থাইল্যান্ড ট্রাম্প ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতার প্রস্তাবে বেশি সতর্ক। আনোয়ার এর মধ্যস্থতায় আগেই অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছিল। থাইল্যান্ড বলছে, সমস্যাটি দুই দেশই নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেবে। ইব্রাহিম জানান, তিনি মঙ্গলবার দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। চূড়ান্ত সমাধান না হলেও উভয় পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যেতে আগ্রহী। বৃহস্পতিবার থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, ট্রাম্প ফোন করলে তিনি সরাসরি পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করবেন। তিনি বলেন, ‘তিনি যদি ফোন করেন, তবে সবকিছু আমার কাছ থেকেই শুনতে হবে।’

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দুইপক্ষই একে অপরকে সংঘর্ষ শুরুর জন্য দোষ দিচ্ছে। দুই দেশই অভিযোগ করছে, সাধারণ মানুষ বসবাস করা এলাকায় কামান ও রকেট হামলা চালানো হচ্ছে। আনুতিন বলেন, ‘কেউই সংঘাত চায় না, বিশেষ করে প্রতিবেশীর সঙ্গে। কিন্তু থাইল্যান্ড নিশ্চিত যে তাকে আক্রমণ করা হয়েছে। তাই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।’ কম্বোডিয়া বলছে, থাইল্যান্ডের গোলাবর্ষণ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান হামলায় তাদের সীমান্তের ৩০ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত ঘরবাড়ি, স্কুল, রাস্তা, মন্দিরসহ অনেক কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে, থাইল্যান্ড স্কুল ও মন্দিরসহ বেসামরিক জায়গায় নৃশংস আক্রমণ চালাচ্ছে। থাইল্যান্ড অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সংঘর্ষে দুই দেশেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। কম্বোডিয়ায় এক শিশুসহ ১০ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত হয়েছে। থাই সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের ৯ জন সেনা নিহত ও ১২০ জনের বেশি আহত হয়েছে। সীমান্তের দুই পাশ থেকেই লাখ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের দিন-তারিখ

  • ()
  • ()