
বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪৫ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে বা তা অতিক্রম করেছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কয়েকশ কোটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, উচ্চচাপ বলয় এবং সম্ভাব্য এল নিনো পরিস্থিতির কারণে এবারের তাপপ্রবাহ অতীতের তুলনায় অনেক বেশি তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।
ভারত-এ উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। মহারাষ্ট্রের আকোলা ও অমরাবতীতে প্রায় ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে হিটস্ট্রোকে কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে। পাকিস্তান-এর করাচিতে তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ সিন্ধু অঞ্চলে আরও কয়েক দিন তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
https://bangladeshjugantor.com/শুভেন্দুর-আত্মবিশ্বাস-স/
অন্যদিকে বাংলাদেশ-এ রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুর, রাজশাহী ও পাবনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। ২০২৪ সালের এপ্রিলে দেশে টানা ২৪ দিন তাপপ্রবাহ ছিল, যা গত ৭৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ, শিশু, প্রবীণ, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। অতিরিক্ত গরমের কারণে হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা ও মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়ছে।
আরও পড়ুন, https://bangladeshjugantor.com/১৬-রাউন্ড-শেষে-৫৩৮-ভোটে-পি/
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগাম সতর্কতা, তাপসহনশীল অবকাঠামো, উন্নত নগর পরিকল্পনা এবং কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ছাড়া ভবিষ্যতের তাপপ্রবাহ মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
সম্পাদক : মোঃ মোশাররফ হোসাইন রাজু
প্রকাশক : হারুন অর রশিদ হিরো
মোবাইল: 01711-484208, 01726-702787 ইমেইল: dailybangladeshjuantor@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলাদেশ যুগান্তর. All rights reserved.